Defination of Power
Power, the word used everyhere in the world. The word ‘POWER’ has many usage. But now I use ‘POWER’ as a main characteristics of Leadership. The full form of POWER became P – Popularity, O – Obidient, W – Work, E – Efficiency, R – Resolute. i think all the characteristics should have in an ideal leader.
P for Popularity – if a human beings get popularity, then he take control over his followers or his fans; he became a leader over them. He get the power to lead his followers. so a good leader have popularity.
O for Obdient – a oidient man can make a goodwill in his locality, thus he can get popularity. This represent a man as leader. A good leader must have obidient on his followers.
W for Work – a man with good working skill or a hard worker can easily capture a good place among the common men. some peoples are then influenced by him to do more good work and some are depends upon him to do their works. and finally he gets some follower by this he became a leader.
E for Efficiency – efficiency is one of the most important characteristics of a leader, either he is honest or dishonest. Inefficient man could not take control over the common man normally, in this case the man then choose a wile way or an obligary way to represent him a leader.
R for Resolute – a man with a ditermined sprit could win over another. a resolutic man should have a ditermined speech to influence the common people as they must accecpt his leader ship. ……contd
Propect of power
‘ক্ষমতা’ শব্দটি মানুষের মনে একটি আলাদা শক্তি দেয়। ক্ষমতা মানুষকে আরো জটিল করে তোলে, কারন ক্ষমতা
শব্দের শুরুর অক্ষরটা বেশ প্যাঁচানো আর তার কারনেই ক্ষমতার অলিন্দে থাকা মানুষগুলো ক্ষমতা গ্রহণের লোভে
আরো বেশী জটিল হয়ে পড়ে। তবে ‘ক্ষমতা’ শব্দের পরের অক্ষরগুলো তত জটিল না হলেও কিন্তু তাতে প্যাঁচ আছে।
তাই একবার কেউ ক্ষমতা পেয়ে গেলে সে সেই প্যাঁচ থেকে বের হতে পারে না, সে যতই চেষ্টা করুক না কেন; উল্টে
তার ক্ষমতার প্যাঁচ বাড়তেই থাকে। তবে যতই তার প্যাঁচ জটিল করুক না কেন শেষ পরিনতি কিন্তু ‘।’ আকারের
মত সোজা বা এক সময় তা শেষ হবেই। কারন সব মানুষ এই পৃথিবীতে চিরদিনের জন্য আসে না। কালের অমোঘ
স্রোত তাকে ভাষিয়ে নিয়ে যায়, তাকে অবশ্যই তার ক্ষমতাকে হস্তান্তর করতেই হয়। কখনও বা এই হস্তান্তর মধুর
হতে পারে কখনও বা বিষাদময় হতে পারে, তবে বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই বিষাদময় বিদায় হয়ে থাকে।
আচমকাই আমার মনে এই ক্ষমতার অলিন্দে থাকা মানুষ গুলোর চালচলন দেখে মনে একটা দাগ কেটে গেল; কারণ
আমি নিজেও একসময় এমনকি এখনও বেশ কিছুটা ক্ষমতার অলিন্দে বাস করছি, নাহ্ কোন নেতা হিসাবে নয়;
আমার কর্মক্ষেত্রে। অবশ্য আমি আমার এই ক্ষমতা একদিনে লাভ করি নি, নিজেকে প্রমান করতে হয়েছে যে আমি
কর্মপাগল, কাজই আমার জীবন, কাজই আমার ধ্যান,জ্ঞান। নিজেকে অন্যদের থেকে যোগ্যতম করে তুলেছি। এই
প্রমান করতে জীবনের গুরুত্বপূর্ণ কতকগুলো বছর কাজে লেগেছে। নিজের সংসারের কর্তব্যকে গৌণ বলে মনে করেছি,
প্রাধান্য দিয়েছি আমার কর্মকে, এখনও কাজ থেকে দুরে সরে যেতে পারছি না, ইচ্ছে থাকলেও। বিবেক বড় বালাই।
কিন্তু আমার যেন মনে হচ্ছে আমার সময় ফুরিয়ে আসছে। তাই মনের যে ব্যাথা তাই থেকেই আমার লেখা গুলো
উঠে আসছে। হয়ত এই লেখার কোন বাঁধন নেই, নির্দিষ্টকোন প্রবাহ নেই তবু আমি লিখছি। লিখছি মনের জ্বালা
থেকে, কারণ একদিন যারা আমাকে এই আসনে বসিয়েছিল আজ তারাই আমাকে সরাতে চাইছে, কেন চাইছে তাও
জানি না, হয়ত এটাই ওদের কাজ, ওরা নিজেকে ‘মেকার’ বলে মনে করে। কিন্তু না ওরা তা নয়, ওরা সমাজের
সবথেকে ঘৃণিত সম্প্রদায়, ওরা সবসময় নিজেদের কে প্রমান করতে ব্যাস্ত যে তারা সমাজের একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ
যা ওরা আসলে নয়, ওরা আসলে নিজেদের আইডেনটিটি ক্রাইসিসে ভুগছে, এই সমস্ত ব্যাক্তিরা নিজের কাজের পরিধি
সম্পর্কে ওয়াকিবহাল নয়, এরা নিজেদের কর্তব্য সম্পর্কে সঠিক ধারনা রাখেনা, এরা সমাজের কোন গঠন মুলক
কাজে অংশ গ্রহণ করতে পারে না কিন্তু তাতে কিছু অমুলক প্রশ্ন এনে সেগুলোকে বানচাল করে। এরা লোককে
বিপথগামী করে নিজেদের লাভের দিকটা তুলে নেয়; এরা ভয় পায় সাধারণ মানুষকে, এরা ভয় পায় মানুষের সঠিক
পথের দিশাকে।
আসলে আমি ‘ক্ষমতা’ শব্দটিকে বিশ্লেষণ করতে বসেছিলাম। করা আর হল কই, অন্য সময় করা যাবে………..
-
আর্কাইভ
- মে 2009 (6)
- এপ্রিল 2009 (1)
-
ক্যাটাগরি
-
RSS
Entries RSS
Comments RSS